নিজস্ব প্রতিবেদকঃ-
ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানাধীন কানুদাস কাঠী গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চম্পা বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধা কে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আহত চম্পা কানুদাস কাঠি গ্রামের আব্দুল বারেক হাওলাদারের স্ত্রী।গতকাল রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় হামলার ঘটনা ঘটে।
পরে স্থানীয়রা আহতকে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে রাজাপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে।সেখানে গুরুত্বর আহত চম্পা বেগমের শারীরিক অবস্থা অবনতি দেখা দিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত সূত্রে জানা গেছে, আহত চম্পা বেগমের নাতি মুসা বাড়ির উঠানে খেলা করতে ছিলো। এ সময় প্রতিপক্ষ মহিদুল এসে মুসাকে কোন কিছু না বলে কানের উপরে চড় মারে।এ নিয়ে মুসার দাদী চম্পা বেগম তাদের বাড়িতে বসে তার নাতিকে মারধর করেছে কেন তা নিজেরা আলাপ করতে থাকলে প্রতিপক্ষ মহিদুল, তার স্ত্রী সীমা, মা রুনু,ও বাবা মনা ধারালো চাইনিজ কুড়াল ও রড নিয়ে এসে চম্পা বেগমকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে।
পরে আহত্বর ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে মুমূর্ষ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।এ বিষয়ে আহত চম্পা বেগম সাংবাদিকদের জানায় মহিদুল এলাকাতে দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।এ নিয়ে কিছুদিন আগে তাকে বাড়ির ভিতরে বসে মাদক বিক্রি করতে বাধা দিলে চম্পা বেগমকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় মহিদুল।
আহত চম্পা বেগম আরো জানায়, এর আগে ও মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়া দুই দফায় তার উপরে হামলা চালায় মহিদুল।শুধু চম্পা না মাদক বিক্রিতে যেই বাধা দেয় তাকেই প্রাণ দেশের হুমকি দেয় মহিদুল।এ ঘটনায় গুরুতর আহত চম্পা বেগম শেবাচিমের অর্থোপেডিক ওয়ার্ডে মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে